আজ শুক্রবার, ২৭ নভেম্বর, ২০২০ || ১৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৭ বঙ্গাব্দ শুক্রবার, ১২:২১ অপরাহ্ন
মঙ্গলবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী, ২০১৯   |   sonalisandwip.com
.

মাওলানানাজিমউদ্দিন

সাহাবায়ে কেরামের স্বীকারোক্তি প্রদানের পর রাসূলুল্লাহ (সাঃ) আল্লাহকে সাক্ষী করে বলেন, আল্লাহ তুমি সাক্ষী থাক , আমার কাছে যা কিছু অবতীর্ণ করেছ আমি সব কিছু পৌঁছে দিয়েছি এরই প্রেক্ষিতে সূরায়ে মায়েদার নং আয়াত অবতীর্ণ করেন আয়াতে বলেন, “আজকে আমি তোমাদের দ্বীনকে পরিপূর্ণ করে দিলাম আয়াতে আজকে বলতে বিদায় হজ্বের দিন দশম হিজরী সনের জিলহজ্ব মাসের নয় তারিখ শুক্রবারকে বুঝানো হয়েছে
একটি প্রশ্ন:- এইদিনে আল্লাহ তায়ালা আয়াত অবতীর্ণ করে বলে দিয়েছেন আমি তোমাদের জন্য তোমাদের দ্বীনকে পরিপূর্ণ করে দিলাম, অথচ এটা ছিল আল্লাহর রাসূল (সাঃ) দুনিয়া থেকে বিদায় হওয়ার প্রায় তিনমাস আগের ঘটনা আর বিদায় হওয়ার নয় দিন আগে আল্লাহ আর একটি আয়াত অবতীর্ণ করেন সে আয়াতে আল্লাহ বলেন:-
ওই দিনকে তোমরা ভয় কর, যেদিন তোমাদেরকে ফিরে যেতে হবে আল্লাহর দরবারে এবং প্রত্যেককে যার যার কর্মফল ভোগ করতে হবেওই দিন তোমাদের উপর কোন জুলুম করা হবে নাঅর্থাৎ কেয়ামতের দিনকে ভয় করো এই আয়াত অবতীর্ণ হলো মহানবী দুনিয়া থেকে বিদায়ের নয় দিন আগে, আরতোমাদের দ্বীনকে পরিপূর্ণ করে দিলামআয়াত অবতীর্ণ হলো বিদায়ের তিনমাস আগে কাজেই প্রশ্ন জাগা স্বাভাবিক, তিন মাস আগেই যেখানে দ্বীন পরিপূর্ণ হয়ে গেল সেখানে আবার নয় দিন বাকী থাকতে আয়াত অবতীর্ণ হলো কিভাবে? কারণ নয় দিন আগে যে আয়াত অবতীর্ণ হলো সে আয়াত দ্বীনের অন্তর্ভূক্ত কিনা? যদি সে আয়াত দ্বীনের অন্তর্ভূক্ত হয়ে থাকে তাহলে তিনমাস আগেইদ্বীন পরিপূর্ণ করে দিলামআয়াত অবতীর্ণ হওয়ার কি অর্থ হতে পারে? আর এই আয়াত যদি দ্বীনের অন্তর্ভূক্ত না হয় তাহলে কোরআনে কি এমন আয়াত আছে যেগুলো দ্বীনের অন্তর্ভূক্ত নয়?
প্রশ্নের জবাব প্রশ্নের মীমাংসার জন্য আমাদের ভাল করে স্মরণ রাখতে হবে, আল্লাহ তায়ালা কোরআনে দ্বীন শব্দটিকে বিভিন্ন আয়াতে বিভিন্ন অর্থে ব্যবহার করেছেন আল্লাহ কোরআনে কোন আয়াতে কোন অর্থে দ্বীন শব্দটিকে ব্যবহার করেছেন এটা চিহ্নিত করতে না পারলে এই প্রশ্নের মীমাংসা কেয়ামত পর্যন্ত হবে না

আর এই মীমাংসায় পৌঁছাতে না পেরেই মওদুদী সাহেব তারকোরআন কি চার বুনিয়াদি এসতেলাহেবইয়েদ্বীনশব্দের ব্যাখ্যা করেছেনহুকুমতবাগদিহিসেবে অর্থাৎ তিনি বলতে চেয়েছেন, রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার নাম দ্বীন তাহলে বোঝা গেল যারা গদিতে বসে আছেন তারা যথেষ্ট দ্বীনদার, কারণ রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা তাদের হাতে ( চলমান--)