আজ সোমবার, ৩০ নভেম্বর, ২০২০ || ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৭ বঙ্গাব্দ সোমবার, ০৭:০৫ পূর্বাহ্ন
মঙ্গলবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী, ২০১৯   |   sonalisandwip.com
.

মাওলানা নাজিম উদ্দিন

সুতরাং তাফহীমুল কোরআনের বিসমিল্লাহরবাথেকে সুরায়ে নাছের শেষেরসিনপর্যন্ত সব মনগড়া এখন প্রশ্নজাগে, তাফহীমুল কোরআনের সব কথা মনগড়া হলো কিভাবে এর একটা কথাও কি সঠিক নয়? এটা বুঝার জন্য রাসূল (সাঃ) এর হাদীস থেকে জানতে হবে মনগড়া তাফসীর সম্পর্কে এক হাদীসে আল্লাহর রাসূল (সাঃ) বলেনকেউ যদি মনগড়া তাফসীর করে তাহলে ছহীহ করলেও ভূল হবে

সাহাবায়ে কেরামের অনুকরণ তাবেঈনের অনুকরণ ছাড়া কেউ তাফসীর করলে সে সঠিক করলেও ভুল বলে গণ্য হবে এখন প্রশ্ন জাগতে পারে হাদীসের মর্ম নিয়ে, সঠিক হলেও ভুল হয় কিভাবে? প্রশ্নের জবাব দেওয়া আমার দায়িত্ব নয় তারপরও বলবো শুধুমাত্র অনুকরন অনুসরণ না করে মনগড়া ব্যাখ্যার কারণে ভুল বলে সাব্যস্ত হয়
আল-ইতকান গ্রন্থে বলা হয়েছে:- পাঁচ প্রকার মনগড়া তাফসীরের এক প্রকার হলো যারা নিজের মতবাদ আগে সাব্যস্ত করে আর কোরআন কে নিজের মতবাদ কায়েম করার জন্য আশ্রয় হিসাবে ব্যবহার করে এই ব্যক্তি যদি কোরআনের সঠিক তাফসীরও করে তবুও সে কোরআনের প্রকৃত অনুসারী নয় বরং প্রবৃত্তির অনুসারী, শুধু কারণে তাফহীমুল কোরআন গ্রহণযোগ্য নয় মওদুদী সাহেব কোরআনের পরিভাষা বর্ণনা করতে গিয়েদ্বীনশব্দের ব্যাখ্যা করেছেন হুকুমত অর্থাৎ যারা হুকুমত কায়েম করতে পারল তারা দ্বীন কায়েম করতে পেরেছে, যারা হুকুমত কায়েম করতে পারেনি তারা দ্বীনও কায়েম করতে পারেনি। মওদুদী সাহেবকে এই গোমরাহ বা পথভ্রষ্টতা পাওয়ার কারণ হলো, কোরআনে আল্লাহ তায়ালা দ্বীন শব্দটি কোন জায়গায় কোন অর্থে ব্যবহার করেছেন তা অনুধাবন করতে ব্যর্থ হওয়া তিনি যেহেতু কোন শিক্ষকের কাছ থেকে কোরআন শিখেননি নিজে নিজে পড়েছেন আর মনে মনে বুঝেছেন তাই তাকে এই পথভ্রষ্টতা পেয়ে বসেছে(লিখাটি ২০১৩ সালের মাসিক সোনালী সন্দ্বীপ মার্চ সংখ্যায় প্রকাশিত হয়েছিল)

লেখক:আলেম এবং হাফেজ, মাসিক সোনালী সন্দ্বীপের নির্বাহী সম্পাদক, তাকওয়া প্রপাটিজের ডি এম ডি এন্ড পিডি এ ব্লক ব্যাবসায়ী কল্যান সমিতির সভাপতি এবং বাংলাদেশ কলমসৈনিক লীগ হালিশহর থানার সেক্রেটারী।