আজ শুক্রবার, ২৭ নভেম্বর, ২০২০ || ১৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৭ বঙ্গাব্দ শুক্রবার, ১১:২০ পূর্বাহ্ন
রবিবার, ২১ এপ্রিল, ২০১৯   |   sonalisandwip.com

সুক্ষ ভাবে না দেখলে বুঝার উপায় থাকবে না এটি ব্রীজ না খাবার হোটেল ! সন্দ্বীপের মানুষের নদী পথের নিরাপদ ও আরামদায়ক যাতায়াত নিশ্চিত করনে গুপ্তচড়া ঘাটের উভয় অংশে ব্রীজ নির্মাণ করা হয়েছে বেশ কয়েক বছর আগে। গুপ্তচড়া অংশে ব্রীজ নির্মাণের কয়েক বছরের মাথায় এর অংশ বিশেষ ভেঙ্গে নদী গর্ভে বিলীন হয়েছে।

এ গল্প জীবনের তাগিদে এ ঘাট দিয়ে যাতায়াত কারীদের কাছে অনেক পুরোনো। ব্রীজটি নির্মাণের সময় এর গুণতমান নিশ্চিত না করায় অঙ্কুরে বিনষ্ট হয় চট্রগ্রামের দ্বীপ উপজেলা সন্দ্বীপের সাড়ে তিন লক্ষ জনগোষ্ঠীর দীর্ঘদিনের প্রত্যাশীত আরামপদ নৌ যাতায়াত।

এ নিয়ে লিখালিখি, প্রতিবাদ হয়েছে বিস্তর। যারা লিখেছেন বা বর্তমানে লিখছেন তার তিরস্কারের স্বীকার হয়েছে প্রতিকূল দৃষ্টি ভঙ্গীর মানুষের কাছে। ব্রীজটির যে অংশ অক্ষত আছে তাও সঠিক ভাবে ব্যবহার করতে পারছে না এ পথে যাতায়াতকারীরা। ঘাটের নৌ সিন্ডিকেট বিশেষ ক্ষমতা বলে দুটি ভ্র্যমমান হোটেল নির্মাণ করে খাবারের পশরা সাজিয়ে বসার সুযোগ করে দিয়েছেন।

হয়তো আপনি আমি ভাবতে পারি তারা (ইজারাদার, ঘাট ব্যবস্থাপনার সাথে জড়িতরা) আমাদের জন্য কত সুন্দর আয়োজন ই না করে রেখেছেন ? না এমন ধারণার দাঁত ভাঙ্গা জবাব দিলেন নাম প্রকাশ না করা শর্তে হোটেল পরিচালনা কারী তিনি জানান এখানে সামান্য চা নাস্তা, ভাত বিক্রির জায়গা নিতে গুনতে হয়েছে মোটা অংকের জামানত,প্রতিদিন দিতে হয় ভাড়া আর ফ্রি খাওয়ার বিড়ম্বানা তো আছে।

পুরো ঘটনাটি রুপ কথার গল্প মনে হলে ও এটির বাস্তব চিত্র ফুটে উঠেছে গুপ্তচড়া ঘাট অংশে। অবিশ্বাস্যে মনে হবে সরকারী ব্রীজ কে ভাড়া দিচ্ছে, কে বা কল কাঠি নাঢছে ? এমন অনেক প্রশ্নের জবাব মিলবে না সাগর কন্যা সন্দ্বীপ,সন্দ্বীপের যাতায়াত প্রশ্নে !