আজ সোমবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২১ || ৯ কার্তিক ১৪২৮ বঙ্গাব্দ সোমবার, ০৩:১০ পূর্বাহ্ন
বৃহস্পতিবার, ২৯ নভেম্বর, ২০১৮   |   sonalisandwip.com

একজন সাধারন নাগরিক হিসেবে জানার ইচ্ছা, সন্দ্বীপ উপজেলা পুলিশ প্রশাসন মগধরা আওয়ামীলীগের সভাপতি মাষ্টার আবুল কাসেম বি.কম এর সন্তান ৫ নং ওয়ার্ড সদস্য জাহিদ সারোয়ার শিমুলের বাড়ী থেকে যে অস্ত্র উদ্ধার অভিযান চালিয়েছিল প্রশাসনের সাংবাদিক সম্মেলনের ভিডিও শুনে যে প্রশ্নটি ঘূরপাক খাচ্ছে সেটা হলো প্রশাসন থেকে বলা হয়েছে গুলি বিনিময়ের সময় নাকি ওসি সহ ৬ জন আহত হয়েছে। তাহলে ঐ ৬ জন পুলিশ কোন মেডিকেলে বর্তমানে চিকিৎসাধীন আছেন বা ছিলেন?

সন্দ্বীপ পুলিশ প্রশাসন ভিডিও কনফারেন্স ও সামাজিক যোগাযোগ ফেইসবুকে মাধ্যমে বলা হয়েছে দুই পক্ষের গোলাগুলি হয়েছে প্রশাসনের ৬ জন লোক আহত হয়েছে। সে ৬ জনের শরীরে নিশ্চয় অস্ত্রপাচার হয়ে বিশ্রামে থাকার তো কথা?

আর আহত পুলিশরা অস্ত্র সাঁজিয়ে জনপ্রতিনিধিকে দাঁড় করিয়ে কিভাবে ফটোসেশন করলেন? জনগণের মুখে যে মানুষটির ভালো কাজের গুঞ্জন আর প্রশাসনের কাছে সে কেন অস্ত্রধারী আসামী?

জাহিদ সারোয়ার শিমুল, সন্দ্বীপ উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এবং মগধরা ৫ নং ওয়ার্ডের সদস্য, স্থানীয় সরকার আইনে জনগণের সমস্যা সমাধান করা কি অপরাধ?

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত সাংবাদিকরা কেউ কি আহতদের দেখতে গিয়েছিলেন?  সংবাদ সম্মেলনে আহত পুলিশদের ছবিসহ আঘাতের স্থানের চিত্র দেওয়া হল না কেন?

সকলে অবগত আছেন, মগধরা ৬ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা ফুলমিয়া, মাইটভাংগা বাসিন্দা কোন এক লোকের জমি চাষ করতো। জমির মালিক পক্ষরা জমি ফিরে পাওয়ার লক্ষ্যে দখলকৃত জায়গা বিষয়ে বিভেদ সমঝোতার করার জন্য মগধরা ৫ নং ওয়ার্ড সদস্য জাহিদ সারোয়ার শিমুলের কাছে মৌখিক আবেদন করেন।

এর পরিপ্রেক্ষিত জাহিদ সারোয়ার শিমুল মেম্বার উক্ত জমি দখল সংক্রান্ত বিভেদ সমঝোতা করার জন্য জমি পক্ষ সহ জমি দখলকারীর মধ্যে আলোচনার আহবান করে। এর পর কে বা কারা কাদের স্বার্থে ৬ নং ওয়ার্ডের ফুলমিয়া কে অতর্কিত হামলা চালায়।

উক্ত হামলাকে কেন্দ্র করে ভিক্টিমের সাথে কুচক্রী মহলরা সহযোগী হয়ে ষড়যন্ত্র মামলা দায়ের করে। বাদী নিজে যখন অন্যদের প্ররোচনায় মামলা করেন এবং পরক্ষনে শিমুল মেম্বারের প্রতি ষড়যন্ত্র হচ্ছে এমন টের পেয়ে উক্ত জনপ্রতিনিধির মামলা তোলার সিদ্ধান্ত নেন। প্রশ্ন হলো উক্ত মামলার চার্জশিট ছাড়া কিভাবে তাকে আসামী করে ঐ মামলার গ্রেফতার দেখিয়ে জনপ্রতিনিধির সন্মানহানি করা হলো?

যেখানে বাদী ভূল বুঝতে পেরে মামলা তোলার সিদ্ধান্ত নেন সেখানে কিভাবে জননিরাপত্তা আইনে মামলা চলমান রাখেন পুলিশ প্রশাসন?

প্রকৃত সন্ত্রাসী যে হউক না কেন আমরা তাদের শাস্তি চাই। তবে কোন নিরাপরাধীকে ব্যক্তি স্বার্থে ষড়যন্ত্র করে সাাজানো মামলা জাতির জন্য কলংঙ্ক।।

সন্দ্বীপ উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জাহিদ সারোয়ার শিমুলের বাড়ী থেকে পুলিশের ভিডিও কনফারেন্স তথ্যমত যে অস্ত্রের ফটোসেশন করা হয়েছিলো তা সঠিক তদন্ত করার জন্য সাংবাদিক, গোয়ান্দা সংস্থা, দৃর্নীতি দমন কমিশনের কর্মকর্তাবৃন্দের প্রতি আহবান রহিল। উপজেলা নেতৃবৃন্দ তদন্তের স্বার্থে অত্র এলাকার জনগন থেকে তথ্য নেওয়ার প্রয়োজন মনে করি।

এলাকাবাসীর উক্তি মত বলতে হচ্ছে সন্দ্বীপ উপজেলা রাজনৈতিক, সামাজিক ভাবে অতীত ঐতিহ্য পেলিশ্যার বাড়ীর সুনাম খ্যাতি রহিয়াছে।

স্বাধীনতার পর বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ থেকে স্বাধীনতার স্হপতি বঙ্গবন্ধুর আমলে নৌকা প্রতিকে নির্বাচনে সাউথ সন্দ্বীপ মাঠে গ্রেনেড হামলায় শহীদ হয় আলী খসরু। যে বাড়ীর মানুষ আওয়ামীলীগের জন্য দিয়েছে প্রান। আর সেখানে এসব কি হচ্ছে তা বুঝার বাকি আছে বলে মনে হচ্ছে না!

স্বাধীনতার পর বাংলাদেশ আওয়ামীলীগকে আঁকড়ে ধরে রেখেছিলেন পেলিশ্যার বাড়ীর সন্তান সন্দ্বীপ উপজেলা সাবেক আওয়ামীলীগের প্রতিষ্ঠাতা সেক্রেটারি, ও মুক্তিযুদ্ধা সংগঠক মরহুম এ.কে এম শাহাজাহান।

বর্তমান মগধরা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি মাষ্টার আবুল কাসেম বি.কম ধারাবাহিক ভাবে সুশৃঙ্খলাভাবে দলকে আঁকড়ে ধরে রেখেছে।

উত্তসূরী হিসেবে সন্দ্বীপ উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক, জাহেদ সারোয়ার শিমুল সাংগঠনিক ভাবে অব্যহত রেখেছে।

আর যে বা যারা চক্রান্ত করে মানহানি করেছে তাদের কে চিহ্নিত করে সন্দ্বীপ উপজেলা আওয়ামীলীগের অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ব্যবস্থা গ্রহন করবেন বলে আশাবাদী।

# নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন মগধরাবাসী