আজ রবিবার, ১৯ মে, ২০২৪ || ৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ রবিবার, ০৯:০৬ পূর্বাহ্ন
বুধবার, ১৬ নভেম্বর, ২০২২   |   sonalisandwip.com
মুহিত মাহমুদ

মিশিগানের হেমট্রামিক সিটি কাউন্সিলের কাউন্সিলম্যান নিযুক্ত হয়েছেন বাংলাদেশি  বংশোদ্ভূত মুহিত মাহমুদ। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান অঙ্গরাজ্যে বসবাসরত সিটিজেন নাগরিক। ২০২১ সালের ২ নভেম্বর সর্বশেষ অনুষ্ঠিত নির্বাচনে মুহিত মাহমুদের সঙ্গে তুমুল হাডাহাড্ডি লড়াইয়ে যুক্তরাষ্ট্র, ইয়েমেনি, বসুনিয়া ও বাংলাদেশিসহ বেশ কয়েকটি দেশের বংশোদ্ভূত নাগরিকদের ভোটে সংশ্লিষ্ট সিটি কাউন্সিলের কাউন্সিলম্যান নির্বাচিত হন এডাম আল বামাকি।

কিন্তু তিনি মিশিগান থেকে অন্য একটি প্রদেশে বসবাসের জন্য সম্প্রতি তিনি পদত্যাগ করেন। ফলে নির্বাচনে দ্বিতীয় স্থানে থাকা বাংলাদেশি মুহিত মাহমুদকে কাউন্সিলম্যান হিসেবে নিযোগ দেওয়া হয়। এ ঘটনায় মিশিগানের বাংলাদেশি কমিউনিটির মাঝে ছড়িয়ে পড়েছে আনন্দের বন্যা। মুহিতকে নিয়ে বইছে সর্বত্র আলোচনা। সকলেই তাকে স্বাগত জানিয়ে বলছেন, একজন যোগ্য সমাজকর্মীকেই হেমট্রামিক সিটি কাউন্সিল কতৃপক্ষ বেছে নিয়েছেন। সিলেটের তাহিরপুর গোলাপগঞ্জের কৃতি সন্তান ও সাবেক ফরেস্ট রেঞ্জার মৃত শেখ আব্দুল মতিন ও শেখ হোসনে আরার সন্তান মুহিত। তিনি সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদেরও চেয়ারম্যান ছিলেন। ১৯৯৬ সালে সপরিবারে যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমান তিনি।

২০০১ সালে মিশিগানে এসে বসবাসের পাশাপাশি জড়িয়ে পড়েন সামাজিক কর্মকাণ্ডে। অল্প সময়ের ব্যবধানেই মুহিত মাহমুদ মিশিগানের সর্বত্র, বিশেষ করে হেমট্রামিক ও সিটি ডেট্রয়েট এলাকায় বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেন। তিনি পেশায় একজন সার্ভিস ইন্ড্রাস্ট্রিয়াল এবং সক্রিয়ভাবে ডেমোক্রেট পার্টির একজন নেতাও বটে। এছাড়া মিশিগান আমেরিকান বাংলাদেশি কোকাস নেতা এবং কমিউনিটিক লিডার। তিনি হবিগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আলমগীর চৌধুরীর আপন ভাগ্নি জামাতা। ব্যক্তিগত জীবনে তার দুই পুত্র ও এক কন্যা সন্তান রয়েছে। এক পর্যায়ে ২০২১ সালের ২ নভেম্বর হেমট্রামিক সিটি কাউন্সিল নির্বাচনে তিনি কাউন্সিলম্যান হিসেবে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ৪৯ ভোটের ব্যবধানে হেরে যান।

গুঞ্জন ছিল তখন বাংলাদেশি কমিউনিটির অনেকেই ভোট দিতে না যাওয়া ও বিভক্তির কারণেই মুহিত মাহমুদের বাক্সে ভোট কম পড়ে। জনকণ্ঠের এই প্রতিবেদককে তিনি জানান, চলতি সপ্তাহে বা আগামী সপ্তাহের যেকোনো দিন হেমট্রামিক সিটি কাউন্সিলের কাউন্সিলম্যান হিসেবে তিনি শপথ নিতে পারেন। নিয়মানুযায়ী এই পদে চার বছর একজন কাউন্সিলম্যান দায়িত্ব পালন করার কথা। বাংলাদেশিসহ অন্যান্য দেশের নাগরিকদের কল্যাণে আন্তরিকভাবে কাজ করবেন তিনি।