আজ বুধবার, ২১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪ || ৯ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ বুধবার, ০৭:৫৬ অপরাহ্ন
রবিবার, ১৪ মে, ২০২৩   |   sonalisandwip.com
দিনের আলো ফোটার সাথে সাথেই আশ্রয় গ্রহনকারীরা যার যার গৃহে ফিরে আসেন

ইলিয়াস কামাল বাবু :: একটি নির্ঘুম রাত কেটেছে সন্দ্বীপবাসীর। ঘূর্ণিঝড় মোখা যেনো ৯১ সেই দু:সহ স্মৃতিকেই তাড়া করে ফিরছিলো দ্বীপের সাড়ে চার লক্ষ মানুষকে। কোনো রকম ক্ষয়ক্ষতি ছাড়াই সন্দ্বীপবাসীর জান-মাল রক্ষা পেলো। তবে ঘূর্ণিঝড় মোখা মোকাবেলায় সন্দ্বীপ উপজেলা প্রশাসনের গৃহীত পদক্ষেপের কমতি ছিলোনা।

সন্দ্বীপে প্রশাসনের তীব্র চাপের মুখে ১৬২ টি ঝূর্ণিঝড় আশ্রয় কেন্দ্র ও ৪ টি মুজিব কেল্লার মধ্যে দু’চারটি আশ্রয় কেন্দ্রে ও ১টি মুজিব কেল্লায় কিছু মানুষজন ও গরু-ছাগল আশ্রয় নেয়া ছাড়া কিছু মানুষের আত্মীয়-স্বজনের বাড়ীতে আশ্রয় গ্রহন ও বাদ-বাকী সকল মানুষই যার যার ঘর-বাড়ীতেই প্রস্তুতি নিয়েই রাত কাটিয়ে দেন। তবে দিনের আলো ফোটার সাথে সাথেই আশ্রয় গ্রহনকারীরা যার যার গৃহে ফিরে আসেন। ফলে আশ্রয় কেন্দ্র গুলো ফাঁকাই থেকে যায়। আজিমপুর ইউনিয়নের মোঃ আলী ও উড়িরচর ইউনিয়নের মোঃ জামসেদের বক্তব্যে কথাগুলো উঠে আসে।

সন্দ্বীপে ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি হিসেবে সন্দ্বীপ উপজেলা প্রসাশনের পক্ষ হতে সন্দ্বীপের সকল ইউনিয়নে মোমবাতি, গ্যাসলাইটার,পানি বিশুদ্ধকরন টেবলেট, ওরস্যালাইন সহ শুকনো খাবার সরবরাহ করা হয় বলে পিআইও অফিস নিশ্চিত করেন।

রবিবার দুপুরের পরে সন্দ্বীপের এমপি মাহফুজুর রহমান মিতা, সন্দ্বীপ উপজেলা নির্বাহী অফিসার সম্রাট খীসা ও সন্দ্বীপ উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো: ইসমাইল সন্দ্বীপের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা সমূহ পরিদর্শনে বের হন বলে পিআইও অফিস থেকে জানা যা